বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৯
স্প্যানিশ থ্রিলার।
স্প্যানিশ থ্রিলার বরাবরই আমার পচ্ছন্দের তালিকায়।
ভিন্ন স্বাদের থ্রিলারের স্বাদ পেতে হলে স্প্যানিশ থ্রিলারের স্বাদ আপনাকে নিতেই হবে। বেস্ট বলবো না যেগুলো রিকোমেন্ড করছি সেগুলোকে; তবে সম্প্রতি দেখা দুটি স্প্যানিশ থ্রিলার ভাবনার খোরাক জুগিয়েছে নিঃসন্দেহে।
Era El Cielo 2016:
নিজ বাসাতেই রেপ হয় এক হাউজ ওয়াইফ। দিন শেষে সিদ্ধান্ত নেয়; সে এ ব্যাপারে স্বামীকে কিছুই বলবে না! কিন্তু কাহিনী যত এগুতে থাকে ততই জটিল হতে থাকে গল্পটি। ইংলিশ নাম: The Silence of the Sky. এখানে silence কথাটা গুরুত্ব রাখে তা দেখলেই বুঝতে পারবেন। ক্রাইম থ্রিলার জনরার উরুগুয়ের মুভিটি সহজেই পাবেন নেট ফ্লিক্স এ।
আইএমডিবি রেটিং ৬.৫।
The Invisible Guardian (Spanish: El guardián invisible)2017:
ছোট্ট শহরে সিরিয়াল কিলার; একের পর এক টিনএজার মেয়ের লাশ বিবস্ত্র অবস্থায় নদী কিনারে পাওয়া যাচ্ছে। খুনের ধরন প্রায় একই রকম। তদন্তে এগিয়ে আসেন ইনভেস্টিগেশন অফিসার আমায়া। এভাবে এগিয়ে যেতে থাকে গল্পটি; সাথে দর্শক পরিচিত হয় আমায়া-র জীবনের না বলা অধ্যায়ের সাথে।Dolores Redondo রচিত বিখ্যাত উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এ মুভিটির আইএমডিবি রেটিং ৬.৩। মুভিটি নেট ফ্লিক্স এ পাবেন।
ভিন্ন স্বাদের থ্রিলারের স্বাদ পেতে হলে স্প্যানিশ থ্রিলারের স্বাদ আপনাকে নিতেই হবে। বেস্ট বলবো না যেগুলো রিকোমেন্ড করছি সেগুলোকে; তবে সম্প্রতি দেখা দুটি স্প্যানিশ থ্রিলার ভাবনার খোরাক জুগিয়েছে নিঃসন্দেহে।
Era El Cielo 2016:
নিজ বাসাতেই রেপ হয় এক হাউজ ওয়াইফ। দিন শেষে সিদ্ধান্ত নেয়; সে এ ব্যাপারে স্বামীকে কিছুই বলবে না! কিন্তু কাহিনী যত এগুতে থাকে ততই জটিল হতে থাকে গল্পটি। ইংলিশ নাম: The Silence of the Sky. এখানে silence কথাটা গুরুত্ব রাখে তা দেখলেই বুঝতে পারবেন। ক্রাইম থ্রিলার জনরার উরুগুয়ের মুভিটি সহজেই পাবেন নেট ফ্লিক্স এ।
আইএমডিবি রেটিং ৬.৫।
The Invisible Guardian (Spanish: El guardián invisible)2017:
ছোট্ট শহরে সিরিয়াল কিলার; একের পর এক টিনএজার মেয়ের লাশ বিবস্ত্র অবস্থায় নদী কিনারে পাওয়া যাচ্ছে। খুনের ধরন প্রায় একই রকম। তদন্তে এগিয়ে আসেন ইনভেস্টিগেশন অফিসার আমায়া। এভাবে এগিয়ে যেতে থাকে গল্পটি; সাথে দর্শক পরিচিত হয় আমায়া-র জীবনের না বলা অধ্যায়ের সাথে।Dolores Redondo রচিত বিখ্যাত উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এ মুভিটির আইএমডিবি রেটিং ৬.৩। মুভিটি নেট ফ্লিক্স এ পাবেন।
রাশিয়ার নতুন অপ্রতিরোধ্য ক্ষেপণাস্ত্র হাইপারসনিক ক্ষেপনাস্ত্র।
রাশিয়ার নতুন অপ্রতিরোধ্য ক্ষেপণাস্ত্র
হাইপারসনিক ক্ষেপনাস্ত্র
রুশ সামরিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, এটি বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে গিয়ে হামলা করতে সক্ষম এবং একে ঠেকানোর মতো প্রযুক্তি এখনও পর্যন্ত কারও হাতে নেই।
একেবারে নতুন ধরনের একটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র উদ্ভাবন করেছে রাশিয়া। এই অস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সামরিক শক্তির ভারসাম্য পুরোপুরি পাল্টে দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিবিসি'র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই নতুন রুশ ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম আভনগার্ড হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র। এটি শব্দের চেয়ে বিশগুণ দ্রুতগামী। রুশ সামরিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, এটি বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে গিয়ে হামলা করতে সক্ষম এবং একে ঠেকানোর মতো প্রযুক্তি এখনও পর্যন্ত কারও হাতে নেই।
সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ
পরীক্ষামূলকভাবে এই নতুন ক্ষেপণাস্ত্রটির সফল উৎক্ষেপণ করা হয়।
রাশিয়ার দক্ষিণ-পূর্বের উরাল পর্বতমালা থেকে উৎক্ষেপণের পর এটি গিয়ে ছয় হাজার কিলোমিটার দূরে দূরপ্রাচ্যের কানচাকায় আঘাত করে।
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণকে দেশের সশস্ত্র বাহিনী এবং রাশিয়ার জন্য এক বিরাট ঘটনা বর্ণনা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
তিনি বলেছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা পুরোপুরি সফল হয়েছে। এটির যে কারিগরি এবং কৌশলগত সব বৈশিষ্ট্য- তার সবই এই পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে।
রাশিয়ার ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী ইউরি বরিসভ দাবি করেছেন, প
পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণে এই ক্ষেপণাস্ত্রটির গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ৩৩ হাজার ২০২ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার।
হাইপারসনিক ক্ষেপনাস্ত্র
রুশ সামরিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, এটি বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে গিয়ে হামলা করতে সক্ষম এবং একে ঠেকানোর মতো প্রযুক্তি এখনও পর্যন্ত কারও হাতে নেই।
একেবারে নতুন ধরনের একটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র উদ্ভাবন করেছে রাশিয়া। এই অস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সামরিক শক্তির ভারসাম্য পুরোপুরি পাল্টে দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিবিসি'র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই নতুন রুশ ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম আভনগার্ড হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র। এটি শব্দের চেয়ে বিশগুণ দ্রুতগামী। রুশ সামরিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, এটি বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে গিয়ে হামলা করতে সক্ষম এবং একে ঠেকানোর মতো প্রযুক্তি এখনও পর্যন্ত কারও হাতে নেই।
সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ
পরীক্ষামূলকভাবে এই নতুন ক্ষেপণাস্ত্রটির সফল উৎক্ষেপণ করা হয়।
রাশিয়ার দক্ষিণ-পূর্বের উরাল পর্বতমালা থেকে উৎক্ষেপণের পর এটি গিয়ে ছয় হাজার কিলোমিটার দূরে দূরপ্রাচ্যের কানচাকায় আঘাত করে।
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণকে দেশের সশস্ত্র বাহিনী এবং রাশিয়ার জন্য এক বিরাট ঘটনা বর্ণনা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
তিনি বলেছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা পুরোপুরি সফল হয়েছে। এটির যে কারিগরি এবং কৌশলগত সব বৈশিষ্ট্য- তার সবই এই পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে।
রাশিয়ার ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী ইউরি বরিসভ দাবি করেছেন, প
পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণে এই ক্ষেপণাস্ত্রটির গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ৩৩ হাজার ২০২ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার।
সাংসদ আহমদ হাসানকে বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের চিঠি
সাংসদ আহম্মেদ হাসানকে বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের চিঠি
ইসরাইলি কোম্পানি মদের বোতল থেকে গান্ধিজির ছবি প্রত্যাহার করেছে
নয়াদিল্লি: সম্প্রতি একটি ইসরাইলি কোম্পানি তাদের উৎপাদন করা মদের বোতলে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধির ছবি ব্যবহার করছিল। ‘মাকা ব্রিওয়ারি’ নামে ইসরাইল-ভিত্তিক ওই কোম্পানি মদের বোতলে মহাত্মা গান্ধির ছবি দিয়ে নিজেদের তৈরি শরাব বাজারজাত করছিল।
নেশা-দ্রব্য মদের বোতলে গান্ধিজির ছবি ভারতে তো বটেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও ক্ষোভের সৃষ্টি করে। মহাত্মা গান্ধি মদ ও অন্য নেশা-দ্রব্যের ঘোরতর বিরোধী ছিলেন এবং মদের বিরুদ্ধে তাঁর প্রচার বহু মানুষকে শরাব ছাড়তে উদ্বুদ্ধ করেছিল। আর তাঁর ছবিকেই কিনা ইসরাইলি কোম্পানি বেছে নিল মদের প্রচারে!
বিষয়টি ভারতের পার্লামেন্ট রাজ্যসভাতেও উত্থাপিত হয়। দল নির্বিশেষে সাংসদরা ওই ইসরাইলি কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারকে অনুরোধ করেন। তৃণমূল কংগ্রেসও এই বিষয়ে এক উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।
পরে তৃণমূলের সাংসদ আহমদ হাসান (ইমরান) এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রাজ্যসভায় এক স্পেশাল মেনশনে ইসরাইলি মদের বোতলে গান্ধিজির ছবি ব্যবহারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। ইসরাইলি কোম্পানিটি অবশ্য এক কৈফিয়ত দিয়ে বলে, তারা নাকি আদতে গান্ধিজির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্যই শরাবের বোতলে তাঁর ছবি ছেপেছিল!
ভারতের নয়া বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সাংসদ আহমদ হাসানকে এক চিঠিতে বলেছেন, ‘এই বিষয়ে আপনার ক্ষোভের সঙ্গে আমরা সম্পূর্ণ সহমত। আমাদের দূতাবাস ওই ইসরাইলি কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, তারা ছবি-সহ ওই বোতলে মদের বাজারজাত করা এখন সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে। কোম্পানিটি এই বিষয়ে ভারতের জনগণ ও সরকারের কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চেয়েছে এবং দুঃখ প্রকাশ করেছে।
ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই যেভাবে বিষয়টি নিয়ে সক্রিয় হয়েছেন, তা সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে। উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালে যেভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে ইহুদিদের নিয়ে এসে ফিলিস্তিনের ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্রের সৃষ্টি করা হয়, মহাত্মা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধি তার বিরুদ্ধে ঘোরতর প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। সেইজন্য ইসরাইলের জায়নবাদী ইহুদিরা বরাবরই গান্ধিজির বিরোধী।
ইসরাইলি কোম্পানি মদের বোতল থেকে গান্ধিজির ছবি প্রত্যাহার করেছে
নয়াদিল্লি: সম্প্রতি একটি ইসরাইলি কোম্পানি তাদের উৎপাদন করা মদের বোতলে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধির ছবি ব্যবহার করছিল। ‘মাকা ব্রিওয়ারি’ নামে ইসরাইল-ভিত্তিক ওই কোম্পানি মদের বোতলে মহাত্মা গান্ধির ছবি দিয়ে নিজেদের তৈরি শরাব বাজারজাত করছিল।
নেশা-দ্রব্য মদের বোতলে গান্ধিজির ছবি ভারতে তো বটেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও ক্ষোভের সৃষ্টি করে। মহাত্মা গান্ধি মদ ও অন্য নেশা-দ্রব্যের ঘোরতর বিরোধী ছিলেন এবং মদের বিরুদ্ধে তাঁর প্রচার বহু মানুষকে শরাব ছাড়তে উদ্বুদ্ধ করেছিল। আর তাঁর ছবিকেই কিনা ইসরাইলি কোম্পানি বেছে নিল মদের প্রচারে!
বিষয়টি ভারতের পার্লামেন্ট রাজ্যসভাতেও উত্থাপিত হয়। দল নির্বিশেষে সাংসদরা ওই ইসরাইলি কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারকে অনুরোধ করেন। তৃণমূল কংগ্রেসও এই বিষয়ে এক উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।
পরে তৃণমূলের সাংসদ আহমদ হাসান (ইমরান) এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রাজ্যসভায় এক স্পেশাল মেনশনে ইসরাইলি মদের বোতলে গান্ধিজির ছবি ব্যবহারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। ইসরাইলি কোম্পানিটি অবশ্য এক কৈফিয়ত দিয়ে বলে, তারা নাকি আদতে গান্ধিজির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্যই শরাবের বোতলে তাঁর ছবি ছেপেছিল!
ভারতের নয়া বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সাংসদ আহমদ হাসানকে এক চিঠিতে বলেছেন, ‘এই বিষয়ে আপনার ক্ষোভের সঙ্গে আমরা সম্পূর্ণ সহমত। আমাদের দূতাবাস ওই ইসরাইলি কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, তারা ছবি-সহ ওই বোতলে মদের বাজারজাত করা এখন সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে। কোম্পানিটি এই বিষয়ে ভারতের জনগণ ও সরকারের কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চেয়েছে এবং দুঃখ প্রকাশ করেছে।
ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই যেভাবে বিষয়টি নিয়ে সক্রিয় হয়েছেন, তা সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে। উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালে যেভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে ইহুদিদের নিয়ে এসে ফিলিস্তিনের ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্রের সৃষ্টি করা হয়, মহাত্মা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধি তার বিরুদ্ধে ঘোরতর প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। সেইজন্য ইসরাইলের জায়নবাদী ইহুদিরা বরাবরই গান্ধিজির বিরোধী।
ইসলামের প্রায় শেষ ক্রান্তিকালে এখনো দূর্বার ইসলামি ইরান।
তুর্কী সালতানাত,মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের পর থেকে আজ অব্দি একটা মুসলিম রাষ্ট্র মাথা তুলে ধারাতে পারেনি।
যেই মুসলিম দেশ গুলো মাথা তুলে ধারানোর চেষ্টা করেছে তাদেরকে ধংস করে দিয়েছে ইঙ্গ- মার্কিন ক্রুসেডার বাহিনী।
১৯৪৮ সাল থেকে ইসরাইলের হাতেই ৪৫০০০ মুসলিম বিজ্ঞানীর হত্যাকান্ড হয়েছে।
যার ফলে মুসলিমদেরকে জ্ঞান-বিজ্ঞানে পঙ্গু করে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে।
বর্তমানে মুসলিম নামধারী ক্রুসেডারদের গোলাম সৌদিআরব,সংযুক্ত আরব আমিরাত,কাতার,কুয়েত,ওমান,জর্ডান,মিশর,বাহরাইনের শাসকরা নামে মুসলিম কাজে ইহুদি- খ্রিস্টান।
এদিকে বর্তমান আধুনিক তুরস্ক মুসলিম প্রধান হলেও ক্রুসেডার ন্যাটোর সদস্য ও দখলদার ইসলাইলের শুভাকাঙ্খী যার ফলে এদেশটির প্রতি মুসলিমদের আশা-আকাঙ্খা নাই বললেই চলে।
তুরস্ক ভবিষ্যতে মুসলিম বিশ্বের কাজে আসে কিনা সেটা নিয়ে জটিল সন্দেহ রয়েছে।
.
মুসলিমদের এই ধংস ও পতনের মধ্যে একটি দেশ
আল্লাহর রহমতে আসার আলো হিসেবে আত্বপ্রকাশ করেছে সাবেক বিশ্ব সুপার পাওয়ার পারস্য সাম্রাজ্যে।
বর্তমানে প্রযুক্তিবিদ্যায় পৃথিবীর সেরা পাঁচটি দেশের একটি।
এই পারস্য সাম্রাজ্য একসময় ছিল সমগ্র বিশ্বের প্রতাপশালী পরাশক্তি।
এখন দেখার বিষয় পৃথিবীর ২০০ কোটি + মুসলিমদেরকে শিয়া- সুন্নি বিভক্তি ভূলিয়ে একত্র করে মুসলিমদের লীলাভূমি জেরুজালেম, জিনজিয়াং,লিবিয়া,সিরিয়া,ইয়েমেন,মিন্দানাও,কাশ্মীর, স্পেন সহ সমগ্র বিশ্বের নিপীড়িত সকল মুসলিমদের রক্ষায় ইমাম খামেনী নেতৃত্বাধীন দেশটি কি ভূমিকা রাখে?
যেই মুসলিম দেশ গুলো মাথা তুলে ধারানোর চেষ্টা করেছে তাদেরকে ধংস করে দিয়েছে ইঙ্গ- মার্কিন ক্রুসেডার বাহিনী।
১৯৪৮ সাল থেকে ইসরাইলের হাতেই ৪৫০০০ মুসলিম বিজ্ঞানীর হত্যাকান্ড হয়েছে।
যার ফলে মুসলিমদেরকে জ্ঞান-বিজ্ঞানে পঙ্গু করে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে।
বর্তমানে মুসলিম নামধারী ক্রুসেডারদের গোলাম সৌদিআরব,সংযুক্ত আরব আমিরাত,কাতার,কুয়েত,ওমান,জর্ডান,মিশর,বাহরাইনের শাসকরা নামে মুসলিম কাজে ইহুদি- খ্রিস্টান।
এদিকে বর্তমান আধুনিক তুরস্ক মুসলিম প্রধান হলেও ক্রুসেডার ন্যাটোর সদস্য ও দখলদার ইসলাইলের শুভাকাঙ্খী যার ফলে এদেশটির প্রতি মুসলিমদের আশা-আকাঙ্খা নাই বললেই চলে।
তুরস্ক ভবিষ্যতে মুসলিম বিশ্বের কাজে আসে কিনা সেটা নিয়ে জটিল সন্দেহ রয়েছে।
.
মুসলিমদের এই ধংস ও পতনের মধ্যে একটি দেশ
আল্লাহর রহমতে আসার আলো হিসেবে আত্বপ্রকাশ করেছে সাবেক বিশ্ব সুপার পাওয়ার পারস্য সাম্রাজ্যে।
বর্তমানে প্রযুক্তিবিদ্যায় পৃথিবীর সেরা পাঁচটি দেশের একটি।
এই পারস্য সাম্রাজ্য একসময় ছিল সমগ্র বিশ্বের প্রতাপশালী পরাশক্তি।
এখন দেখার বিষয় পৃথিবীর ২০০ কোটি + মুসলিমদেরকে শিয়া- সুন্নি বিভক্তি ভূলিয়ে একত্র করে মুসলিমদের লীলাভূমি জেরুজালেম, জিনজিয়াং,লিবিয়া,সিরিয়া,ইয়েমেন,মিন্দানাও,কাশ্মীর, স্পেন সহ সমগ্র বিশ্বের নিপীড়িত সকল মুসলিমদের রক্ষায় ইমাম খামেনী নেতৃত্বাধীন দেশটি কি ভূমিকা রাখে?
বাংলাদেশ বনাম মিয়ানমারে সামরিক শক্তি।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী Vs পাকিস্তান নৌবাহিনী।
বাংলাদেশ,পাকিস্তান উভয়ই মুসলিম দেশ।
পাকিস্তানের 70% হলো খোরাসান অন্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং বাকি দক্ষিন পাঞ্জাব এবং সিন্ধু প্রদেশ হিন্দ তথা উপমহাদেশের অন্তর্ভুক্ত ।
বাংলাদেশ ভারতীয় উপমহাদেশের একটি অন্চল।
১৯৭১ সালের পর এখন পর্যন্ত দুই দেশের মাঝে আর কোন যুদ্ধ সংঘটিত হয়নি।আগামীতে হওয়ার সম্ভাবনাও নেই।তবুও আজকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ নিয়ে একটু তুলনা করা হবে যাতে করে মানুষ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অগ্রগতির মাত্রাটা স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করতে পারে।আসুন দেখে নিই দুই দেশের মেজর সার্ফেস ফ্লিটে কি কি আছে-
💎সাবমেরিন:বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে ২ টি মিং ক্লাস এবং পাকিস্তান নৌবাহিনীর কাছে ৫ টি আগোস্টা ক্লাস সাবমেরিন রয়েছে।
বাংলাদেশের সাবমেরিনের বয়স ২৪-২৫ বছর এবং পাকিস্তানের গুলো ১৬-৩৯ বছরের পুরাতন।
💕বাংলাদেশ 2023 এর পর সাবমেরিন অর্ডার দেবে আশা করা যাচ্ছে ।
💕পাকিস্তান 8 (আটটি) টি নতুন TYPE -041 স্টিলথ সাবমেরিন, 8 ( আটটি ) S-26 স্টিলথ সাবমেরিন, 2 টি S-30 ব্যালাস্টিক মিসাইল সাবমেরিন, ও 2 টি পারমানবিক সাবমেরিন যোগ করা শুরু করেছে ।
💎ফ্রিগেট:বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে ৪ টি মিসাইল ফ্রিগেট ও ২ টি পেট্রল ফ্রিগেট রয়েছে।পাকিস্তানের কাছে অাছে ৮ টি মিসাইল ফ্রিগেট।
💕তিন মাসের মধ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে TYPE-053 H ২ টি মিসাইল ফ্রিগেট যুক্ত হবে।
💕পাকিস্তান 5 টি TYPE-054AP ফ্রিগেট আনছে যার ডিসপ্লেসমেন্ট 6500 টন।
💎করভেট:বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে ২ টি ক্যাসল ক্লাস,২ টি টাইপ৫৬ এবং ৪ টি দুর্জয় ক্লাস করভেট রয়েছে।
পাকিস্তান নৌবাহিনীর কাছে আপাতত কোন করভেট নেই।
💕 তুরস্ক থেকে তারা ৪ টি করভেট কিনবে। নিজেরা বানাবে 4 টি মোট 8 টি।
💕বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে আরও ৬ টি টাইপ৫৬,চারটি দুর্জয় ক্লাস যুদ্ধজাহাজ যুক্ত হবে💣💣💣
💎ফার্স্ট এটাক ক্রাফট:পাকিস্তানের কাছে ১১ টি এবং বাংলাদেশে কাছে ৮ টি ফার্স্ট এটাক ক্রাফট রয়েছে।
💕পাকিস্তান বেস্ট TYPE-22 ফার্স্ট এটাক ক্রাফট যুক্ত করবে।
💕 বাংলাদেশ নৌবাহিনী নতুন করে কোন ফার্স্ট এটাক ক্রাফট কিনবেনা একইসাথে পুরনোগুলোকে ক্রমান্বয়ে রিপ্লেস করবে।কারন বঙ্গোপসাগরে আমাদের ক্ষেত্রে ফার্স্ট এটাক ক্রাফট অপ্রয়োজনীয়।।🚬🚬🚬
💎মাইন কাউন্টারমেজাস ভেসেল:পাকিস্তানের কাছে এরকম ৩ টি এবং বাংলাদেশের কাছে ৫ টি জাহাজ রয়েছে।🚤🚤🚤
💎অক্সিলারি জাহাজ:উভয় দেশের কাছেই নিজস্ব জাহাজগুলোকে সহায়তা করার জন্য যথেষ্ট সংখ্যক অক্সিলারি জাহাজ রয়েছে।⛵⛵⛵
💎নেভাল ফাইটার : পাকিস্তান JF-17 নেভাল ভির্সন ও SU-35 নেভাল ভার্সান যোগ করা শুরু করেছে ।
Bangladesh এর কোন নেভাল ফাইটার রাখবেনা।
💎নেভাল মিসাইল ফোর্স : বাংলাদেশ এর শিপ মিসাইলঃ
1. অটোমেট এমকে ২=রেঞ্জ
১৮০ কিঃমিঃ হতে ২১০
কিঃমিঃ
2. সি ৮০২এ=১৮০ কিঃমিঃ
3. সি ৭০৪=৩৫ কিঃমিঃ
✔সারফেস টু এয়ার মিসাইল
(স্যাম)
1. এফএম ৯০=১৫কিঃমিঃ
2. এফএলএন ৩০০০=৬থেকে ১০
পাকিস্তানের নৌবাহিনীর বহরে যে সব মিসাইল যুক্ত হয়েছে
1, DF-26 Carriar killer balastic missile,
2, DF21 missile
3,Cm-302/YJ-12 ক্রুজ মিসাইল
4,CM-400 মিসাইল ।
5,Zarbb মিসাইল ।
সবচেয়ে গেমচেন্জার মিসাইল হলো DF-26 এবং CM-302 এবং CM-401.
Pakistan's Submarine Project S-26 & S-30
বাংলাদেশ,পাকিস্তান উভয়ই মুসলিম দেশ।
পাকিস্তানের 70% হলো খোরাসান অন্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং বাকি দক্ষিন পাঞ্জাব এবং সিন্ধু প্রদেশ হিন্দ তথা উপমহাদেশের অন্তর্ভুক্ত ।
বাংলাদেশ ভারতীয় উপমহাদেশের একটি অন্চল।
১৯৭১ সালের পর এখন পর্যন্ত দুই দেশের মাঝে আর কোন যুদ্ধ সংঘটিত হয়নি।আগামীতে হওয়ার সম্ভাবনাও নেই।তবুও আজকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ নিয়ে একটু তুলনা করা হবে যাতে করে মানুষ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অগ্রগতির মাত্রাটা স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করতে পারে।আসুন দেখে নিই দুই দেশের মেজর সার্ফেস ফ্লিটে কি কি আছে-
💎সাবমেরিন:বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে ২ টি মিং ক্লাস এবং পাকিস্তান নৌবাহিনীর কাছে ৫ টি আগোস্টা ক্লাস সাবমেরিন রয়েছে।
বাংলাদেশের সাবমেরিনের বয়স ২৪-২৫ বছর এবং পাকিস্তানের গুলো ১৬-৩৯ বছরের পুরাতন।
💕বাংলাদেশ 2023 এর পর সাবমেরিন অর্ডার দেবে আশা করা যাচ্ছে ।
💕পাকিস্তান 8 (আটটি) টি নতুন TYPE -041 স্টিলথ সাবমেরিন, 8 ( আটটি ) S-26 স্টিলথ সাবমেরিন, 2 টি S-30 ব্যালাস্টিক মিসাইল সাবমেরিন, ও 2 টি পারমানবিক সাবমেরিন যোগ করা শুরু করেছে ।
💎ফ্রিগেট:বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে ৪ টি মিসাইল ফ্রিগেট ও ২ টি পেট্রল ফ্রিগেট রয়েছে।পাকিস্তানের কাছে অাছে ৮ টি মিসাইল ফ্রিগেট।
💕তিন মাসের মধ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে TYPE-053 H ২ টি মিসাইল ফ্রিগেট যুক্ত হবে।
💕পাকিস্তান 5 টি TYPE-054AP ফ্রিগেট আনছে যার ডিসপ্লেসমেন্ট 6500 টন।
💎করভেট:বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে ২ টি ক্যাসল ক্লাস,২ টি টাইপ৫৬ এবং ৪ টি দুর্জয় ক্লাস করভেট রয়েছে।
পাকিস্তান নৌবাহিনীর কাছে আপাতত কোন করভেট নেই।
💕 তুরস্ক থেকে তারা ৪ টি করভেট কিনবে। নিজেরা বানাবে 4 টি মোট 8 টি।
💕বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে আরও ৬ টি টাইপ৫৬,চারটি দুর্জয় ক্লাস যুদ্ধজাহাজ যুক্ত হবে💣💣💣
💎ফার্স্ট এটাক ক্রাফট:পাকিস্তানের কাছে ১১ টি এবং বাংলাদেশে কাছে ৮ টি ফার্স্ট এটাক ক্রাফট রয়েছে।
💕পাকিস্তান বেস্ট TYPE-22 ফার্স্ট এটাক ক্রাফট যুক্ত করবে।
💕 বাংলাদেশ নৌবাহিনী নতুন করে কোন ফার্স্ট এটাক ক্রাফট কিনবেনা একইসাথে পুরনোগুলোকে ক্রমান্বয়ে রিপ্লেস করবে।কারন বঙ্গোপসাগরে আমাদের ক্ষেত্রে ফার্স্ট এটাক ক্রাফট অপ্রয়োজনীয়।।🚬🚬🚬
💎মাইন কাউন্টারমেজাস ভেসেল:পাকিস্তানের কাছে এরকম ৩ টি এবং বাংলাদেশের কাছে ৫ টি জাহাজ রয়েছে।🚤🚤🚤
💎অক্সিলারি জাহাজ:উভয় দেশের কাছেই নিজস্ব জাহাজগুলোকে সহায়তা করার জন্য যথেষ্ট সংখ্যক অক্সিলারি জাহাজ রয়েছে।⛵⛵⛵
💎নেভাল ফাইটার : পাকিস্তান JF-17 নেভাল ভির্সন ও SU-35 নেভাল ভার্সান যোগ করা শুরু করেছে ।
Bangladesh এর কোন নেভাল ফাইটার রাখবেনা।
💎নেভাল মিসাইল ফোর্স : বাংলাদেশ এর শিপ মিসাইলঃ
1. অটোমেট এমকে ২=রেঞ্জ
১৮০ কিঃমিঃ হতে ২১০
কিঃমিঃ
2. সি ৮০২এ=১৮০ কিঃমিঃ
3. সি ৭০৪=৩৫ কিঃমিঃ
✔সারফেস টু এয়ার মিসাইল
(স্যাম)
1. এফএম ৯০=১৫কিঃমিঃ
2. এফএলএন ৩০০০=৬থেকে ১০
পাকিস্তানের নৌবাহিনীর বহরে যে সব মিসাইল যুক্ত হয়েছে
1, DF-26 Carriar killer balastic missile,
2, DF21 missile
3,Cm-302/YJ-12 ক্রুজ মিসাইল
4,CM-400 মিসাইল ।
5,Zarbb মিসাইল ।
সবচেয়ে গেমচেন্জার মিসাইল হলো DF-26 এবং CM-302 এবং CM-401.
Pakistan's Submarine Project S-26 & S-30
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)









