সাংসদ আহম্মেদ হাসানকে বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের চিঠি
ইসরাইলি কোম্পানি মদের বোতল থেকে গান্ধিজির ছবি প্রত্যাহার করেছে
নয়াদিল্লি: সম্প্রতি একটি ইসরাইলি কোম্পানি তাদের উৎপাদন করা মদের বোতলে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধির ছবি ব্যবহার করছিল। ‘মাকা ব্রিওয়ারি’ নামে ইসরাইল-ভিত্তিক ওই কোম্পানি মদের বোতলে মহাত্মা গান্ধির ছবি দিয়ে নিজেদের তৈরি শরাব বাজারজাত করছিল।
নেশা-দ্রব্য মদের বোতলে গান্ধিজির ছবি ভারতে তো বটেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও ক্ষোভের সৃষ্টি করে। মহাত্মা গান্ধি মদ ও অন্য নেশা-দ্রব্যের ঘোরতর বিরোধী ছিলেন এবং মদের বিরুদ্ধে তাঁর প্রচার বহু মানুষকে শরাব ছাড়তে উদ্বুদ্ধ করেছিল। আর তাঁর ছবিকেই কিনা ইসরাইলি কোম্পানি বেছে নিল মদের প্রচারে!
বিষয়টি ভারতের পার্লামেন্ট রাজ্যসভাতেও উত্থাপিত হয়। দল নির্বিশেষে সাংসদরা ওই ইসরাইলি কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারকে অনুরোধ করেন। তৃণমূল কংগ্রেসও এই বিষয়ে এক উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।
পরে তৃণমূলের সাংসদ আহমদ হাসান (ইমরান) এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রাজ্যসভায় এক স্পেশাল মেনশনে ইসরাইলি মদের বোতলে গান্ধিজির ছবি ব্যবহারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। ইসরাইলি কোম্পানিটি অবশ্য এক কৈফিয়ত দিয়ে বলে, তারা নাকি আদতে গান্ধিজির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্যই শরাবের বোতলে তাঁর ছবি ছেপেছিল!
ভারতের নয়া বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সাংসদ আহমদ হাসানকে এক চিঠিতে বলেছেন, ‘এই বিষয়ে আপনার ক্ষোভের সঙ্গে আমরা সম্পূর্ণ সহমত। আমাদের দূতাবাস ওই ইসরাইলি কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, তারা ছবি-সহ ওই বোতলে মদের বাজারজাত করা এখন সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে। কোম্পানিটি এই বিষয়ে ভারতের জনগণ ও সরকারের কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চেয়েছে এবং দুঃখ প্রকাশ করেছে।
ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই যেভাবে বিষয়টি নিয়ে সক্রিয় হয়েছেন, তা সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে। উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালে যেভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে ইহুদিদের নিয়ে এসে ফিলিস্তিনের ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্রের সৃষ্টি করা হয়, মহাত্মা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধি তার বিরুদ্ধে ঘোরতর প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। সেইজন্য ইসরাইলের জায়নবাদী ইহুদিরা বরাবরই গান্ধিজির বিরোধী।
ইসরাইলি কোম্পানি মদের বোতল থেকে গান্ধিজির ছবি প্রত্যাহার করেছে
নয়াদিল্লি: সম্প্রতি একটি ইসরাইলি কোম্পানি তাদের উৎপাদন করা মদের বোতলে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধির ছবি ব্যবহার করছিল। ‘মাকা ব্রিওয়ারি’ নামে ইসরাইল-ভিত্তিক ওই কোম্পানি মদের বোতলে মহাত্মা গান্ধির ছবি দিয়ে নিজেদের তৈরি শরাব বাজারজাত করছিল।
নেশা-দ্রব্য মদের বোতলে গান্ধিজির ছবি ভারতে তো বটেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও ক্ষোভের সৃষ্টি করে। মহাত্মা গান্ধি মদ ও অন্য নেশা-দ্রব্যের ঘোরতর বিরোধী ছিলেন এবং মদের বিরুদ্ধে তাঁর প্রচার বহু মানুষকে শরাব ছাড়তে উদ্বুদ্ধ করেছিল। আর তাঁর ছবিকেই কিনা ইসরাইলি কোম্পানি বেছে নিল মদের প্রচারে!
বিষয়টি ভারতের পার্লামেন্ট রাজ্যসভাতেও উত্থাপিত হয়। দল নির্বিশেষে সাংসদরা ওই ইসরাইলি কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারকে অনুরোধ করেন। তৃণমূল কংগ্রেসও এই বিষয়ে এক উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।
পরে তৃণমূলের সাংসদ আহমদ হাসান (ইমরান) এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রাজ্যসভায় এক স্পেশাল মেনশনে ইসরাইলি মদের বোতলে গান্ধিজির ছবি ব্যবহারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। ইসরাইলি কোম্পানিটি অবশ্য এক কৈফিয়ত দিয়ে বলে, তারা নাকি আদতে গান্ধিজির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্যই শরাবের বোতলে তাঁর ছবি ছেপেছিল!
ভারতের নয়া বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সাংসদ আহমদ হাসানকে এক চিঠিতে বলেছেন, ‘এই বিষয়ে আপনার ক্ষোভের সঙ্গে আমরা সম্পূর্ণ সহমত। আমাদের দূতাবাস ওই ইসরাইলি কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, তারা ছবি-সহ ওই বোতলে মদের বাজারজাত করা এখন সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে। কোম্পানিটি এই বিষয়ে ভারতের জনগণ ও সরকারের কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চেয়েছে এবং দুঃখ প্রকাশ করেছে।
ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই যেভাবে বিষয়টি নিয়ে সক্রিয় হয়েছেন, তা সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে। উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালে যেভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে ইহুদিদের নিয়ে এসে ফিলিস্তিনের ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্রের সৃষ্টি করা হয়, মহাত্মা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধি তার বিরুদ্ধে ঘোরতর প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। সেইজন্য ইসরাইলের জায়নবাদী ইহুদিরা বরাবরই গান্ধিজির বিরোধী।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন