বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৯

ইসলামের প্রায় শেষ ক্রান্তিকালে এখনো দূর্বার ইসলামি ইরান।

তুর্কী সালতানাত,মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের পর থেকে আজ অব্দি একটা মুসলিম রাষ্ট্র মাথা তুলে ধারাতে পারেনি।

যেই মুসলিম দেশ গুলো মাথা তুলে ধারানোর চেষ্টা করেছে তাদেরকে ধংস করে দিয়েছে ইঙ্গ- মার্কিন ক্রুসেডার বাহিনী।

১৯৪৮ সাল থেকে ইসরাইলের হাতেই ৪৫০০০ মুসলিম বিজ্ঞানীর হত্যাকান্ড হয়েছে।
যার ফলে মুসলিমদেরকে জ্ঞান-বিজ্ঞানে পঙ্গু করে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে।

বর্তমানে মুসলিম নামধারী ক্রুসেডারদের গোলাম সৌদিআরব,সংযুক্ত আরব আমিরাত,কাতার,কুয়েত,ওমান,জর্ডান,মিশর,বাহরাইনের শাসকরা নামে মুসলিম কাজে ইহুদি- খ্রিস্টান।

এদিকে বর্তমান আধুনিক তুরস্ক মুসলিম প্রধান হলেও ক্রুসেডার ন্যাটোর সদস্য ও দখলদার ইসলাইলের শুভাকাঙ্খী যার ফলে এদেশটির প্রতি মুসলিমদের আশা-আকাঙ্খা নাই বললেই চলে।

তুরস্ক ভবিষ্যতে মুসলিম বিশ্বের কাজে আসে কিনা সেটা নিয়ে জটিল সন্দেহ রয়েছে।
.
মুসলিমদের এই ধংস ও পতনের মধ্যে একটি দেশ
আল্লাহর রহমতে আসার আলো হিসেবে আত্বপ্রকাশ করেছে সাবেক বিশ্ব সুপার পাওয়ার পারস্য সাম্রাজ্যে।

বর্তমানে প্রযুক্তিবিদ্যায় পৃথিবীর সেরা পাঁচটি দেশের একটি।

এই পারস্য সাম্রাজ্য একসময় ছিল সমগ্র বিশ্বের প্রতাপশালী পরাশক্তি।

এখন দেখার বিষয় পৃথিবীর ২০০ কোটি + মুসলিমদেরকে শিয়া- সুন্নি বিভক্তি ভূলিয়ে একত্র করে মুসলিমদের লীলাভূমি জেরুজালেম, জিনজিয়াং,লিবিয়া,সিরিয়া,ইয়েমেন,মিন্দানাও,কাশ্মীর, স্পেন সহ সমগ্র বিশ্বের নিপীড়িত সকল মুসলিমদের রক্ষায় ইমাম খামেনী নেতৃত্বাধীন দেশটি কি ভূমিকা রাখে?

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন